Abu Taher, Ramganj Representative:
স্থানীয় প্রভাবশালীদের হুমকী-ধমকী আর হামলা থেকে প্রাণ বাঁচানোর লক্ষে লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পালিয়ে বেড়াচ্ছে আবদুল মজিদ নামের এক ইতালি প্রবাসী। ছেলেকে ওই প্রভাবশালীদের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য প্রশাসন সহ সকলের প্রতি আহবান জানিয়েছেন ওই প্রবাসীর বৃদ্ধা মা আয়েশা খাতুন। জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ আর মায়ের ইচ্ছায় কয়েকটি গাছ বিক্রয় করার অপরাধে বড়ভাই মোঃ তাজুল ইসলাম এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন বলে অভিযোগ প্রবাসী মজিদের।
রামগঞ্জ পৌরসভা টামটা ওয়ার্ডের রৌশন আলী পাটোয়ারী বাড়ির মৃত সোনামিয়া পাটোয়ারী দুই ছেলে মোঃ তাজুল ইসলাম এবং আবদুল মজিদ। মৃত্যুর পূর্বে সোনামিয়া দুই ছেলেকে এক একর বায়ান্ন শতক সম্পত্তি হেবা দলিল মূলে দিয়ে যান। যা দুই ভাই বন্টনের মাধ্যমে ভোগ দখলে থাকলেও এ নিয়ে বড়ভাই তাজুল ইসলাম ছোটভাই আবদুল মজিদকে আড় চোখে দেখে আসছেন বলে অভিযোগ মা আয়েশা খাতুনের। যার কারনে চলতি বছরের জানুয়ারীতে ইতালি থেকে দেশে আসার পরও নানান প্রকার হুমকী-ধমকীতে নিজ বসত ঘরে থাকতে পারছেনা মজিদ। এমন পরিস্থিতিতে মায়ের হাত খরছের জন্য মায়ের ইচ্ছায় পুরাতন বসত বাড়ির কয়েকটি গাছ বিক্রয় করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে বড় ভাই তাজুল ইসলাম। ফলে মজিদকে সায়েস্তা করার লক্ষে প্রভাবশালীদের স্বরণাপন্ন হয়েছে বলে জানান বৃদ্ধা মা আয়েশা খাতুন। বড় ছেলে তাজুল ইসলাম যখন গাছ কেটেছিলো তখন তাকে তো কেউ কিছু বলেনি বলেও জানান ওই বৃদ্ধা মা। সরজমিন পরিদর্শনকালে মা আয়েশা খাতুন ছোট ছেলে মজিদকে বাঁচানোর লক্ষে নিজের দোষ স্বীকার করে বড় ছেলে তাজুল ইসলামের নিকট ক্ষমা পর্যন্ত চেয়েছেন।
এ ব্যাপারে প্রবাসী মজিদ জানান, সম্পত্তি নিয়ে ভাইয়ের সাথে কোন দ্বন্ধ নেই। গাছ বিক্রয়ের টাকা মায়ের হাতে দিয়েছি। তবুও আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে আমি এখন বাড়ি ছাড়া।
বড় ভাই মোঃ তাজুল ইসলাম জানান, মজিদ যে গাছ বিক্রয় করেছে তার মালিক সে একা নয়। তাছাড়া মজিদ আমার পুকুরের মাছ লুটসহ আমার নানান জিনিসপত্র তছরুপ করেছে। যার জন্য আমি থানায় অভিযোগ করতে বাধ্য হয়েছি। আমি কোন প্রভাবশালীর দ্বারস্থ হইনি।
