Md. Mubarak Hossain, Narsingdi representative
নরসিংদীর মনোহরদীর মেয়ে সুমাইয়া রহমান গুচ্ছের”এ”ইউনিটে প্রথম হয়েছেন। গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষায় প্রথম হয়েছেন দুজন। দুজনের নামই সুমাইয়া। একজন সুমাইয়া রহমান, আরেকজন সুমাইয়া বিনতে মাসুদ। সুমাইয়া রহমান নরসিংদী জেলার মনোহরদী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের সৌদি প্রবাসী ব্যাবসায়ী মো. আব্দুর রহমান (বাতেন) এর প্রথম কন্যা। আব্দুর রহমান এর তিন মেয়ে।
তিনজনই ছাত্রী হিসেবে মেধাবী। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য গুচ্ছভুক্ত ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এ ফল প্রকাশিত হয়। ফলাফলে ‘এ’ ইউনিটে সম্মিলিতভাবে প্রথম হন সুমাইয়া নামের দুই নারী শিক্ষার্থী। তাঁরা ভর্তি পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ৮৭.৫০ পেয়েছেন। সুমাইয়া রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তিনি এসএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে ভর্তি হন হলিক্রস কলেজে। সেখান থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ অর্জন করেন। তাঁর স্বপ্ন জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়ালেখা করে গবেষক হওয়া। গুচ্ছের ২২ টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তাঁর পছন্দের বিশ্ববিদ্যালয় সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। অনুভূতি প্রকাশ করে সুমাইয়া রহমান বলেন, “পরীক্ষায় প্রথম হওয়ার অনুভূতি আসলেই অসাধারণ। বলে বোঝানো কঠিন। আমার এ পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারি বান্ধবীর কাছ থেকে।
সে মুহূর্তটা আসলে অবিশ্বাস্যকর ছিল।”সুমাইয়া রহমান আরও বলেন, “সর্বপ্রথম আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা যে, আমি পরীক্ষাটা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। ফলাফল পেয়ে যতটা খুশি হয়েছি, মা-বাবার আনন্দ দেখে তার চেয়ে বেশি খুশি হয়েছি।” তিনি তাঁর শিক্ষক-শিক্ষিকাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেন।
