Trinamool claims Central Editor - Shah Neoz

shear

আমজাদ হোসেন আমু : দীর্ঘ ২৮ বছর পর তৃণমূলের ভোটে নির্বাচিত হচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের কমিটি। বিগত বছরে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম বিভিন্নভাবে রাজপথে ব্যর্থ হওয়ায় এবং নেতাকর্মীদের সাংগঠনিকভাবে উদ্ভজ্জিব করতে দলের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া।

১৪ সেপ্টেম্বর হতে যাচ্ছে ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল। এ কাউন্সিলে সভাপতি-সম্পাদক পদে দলীয় মনোনয়ন নিয়েছেন ১১০ জন। তাদের মধ্যে যাচাই-বাচাই করে সভাপতি ১৬ এবং সম্পাদক ৩০ জনের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন।

এদের মধ্যে সভাপতি পদে আলোচনায় কয়েকজন থাকলেও সম্পাদক পদে তৃণমূলে এগিয়ে রয়েছেন নোয়াখালীর সন্তান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক শাহ নেওয়াজ। তিনি ১/১১ আন্দোলন থেকে এখন পর্যন্ত রাজপথে দলের আন্দোলন সংগ্রামে নেতৃত্ব বিকাশে এগিয়ে রয়েছেন।

তৃণমূল ছাত্রদলের নেতা-কর্মীদের সাথে আলাপ কালে তারা বলেন, আগামীর ছাত্রদলের কান্ডারী হিসেবে সম্পাদক পদে শাহ নেওয়াজ এর ভূমিকা ও গুরুত্ব রয়েছে। শাহ নেওয়াজই হতে পারে ষষ্ঠ কাউন্সিলে সম্পাদক। এটাই শুনা যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগর ও বিভিন্ন জেলা উপজেলায়। তারা আরও জানান,বিগত ছাত্র আন্দোলনে শাহ নেওয়াজ এর উল্লেখ যোগ্য ভূমিকা ছিল। তাছাড়া তিনি তৃণমূল নেতা কর্মীদের খোঁজ-খবরও রাখতেন। হামলা-মামলায় নেতাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতেন। তাদের বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করতেন। তাই তৃণমূল ও কাউন্সিলের দাবী সম্পাদক হচ্ছেন শাহ নেওয়াজ।

শাহ নেওয়াজ , নোয়াখালী জেলার জাতীয়তাবাদী পরিবারের সন্তান। তিনি সূর্যসেন হলের শিক্ষার্থী হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন । অতীতে আন্দোলন সংগ্রামের কারণে ৩টি মামলা, ২০০৯ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত ৫ বার হামলার শিকার হয়েছেন। ১/১১’ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলনেই ছিলেন সামনের সারিতে। ওয়ান ইলেভেনের সরকারের আমলে তারেক রহমানকে গ্রেফতারের পর তারাই প্রথম ৩৬ জন মিলে ঢাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তিনি সাধারণ সম্পাদক পদে ভোট পেতে ভোটারদের কাছে ছুটছেন। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, কাউন্সিলররা দীর্ঘদিন রাজনীতির মাঠে পরীক্ষা দিয়ে নেতা হয়েছেন। তারা জানেন, রাজপথে কাদের ভূমিকা রয়েছে, কাদেরকে নেতৃত্বে আনলে খালেদা জিয়ার ও গণতন্ত্রের মুক্তির আন্দোলন জোরদার হবে। তারা তাদেরকেই ভোট দিয়ে নির্বাচিত করবেন বলে তিনি মনে করেন। তিনি আশা করছেন, তৃণমূল ভোটাররা ভোট দিয়ে তাকে নির্বাচিত করবে।এবং তিনিই হবেন ষষ্ঠ কাউন্সিলে সম্পাদক।

 

বৈধ প্রার্থীর তালিকা ঘোষণার পর থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে প্রচার-প্রচারণা। প্রার্থীরা ছুটছেন ভোটাদের কাছে। জেলা থেকে আরেক জেলায় তাদের কাছে তুলে ধরছেন ছাত্রদলের জন্য নিজের ত্যাগ, রাজপথে ভূমিকা, সংগঠন পরিচালনায় ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা। প্রতিশ্রতি দিচ্ছেন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার আন্দোলন জোরদার করার।অনুরোধ জানাচ্ছেন প্রত্যেক প্রার্থীর বিষয়ে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক খোঁজ-খবর নিয়ে, সৎ, যোগ্য, রাজপথে থেকে আন্দোলনকারীকে ভোট দিতে।

এছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও প্রার্থী নিজে এবং তার কর্মীরা চালাচ্ছেন প্রচারণা। অতীতে বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেদের অংশগ্রহণ, প্রতিপক্ষের মাধ্যমে হামলা, মামলার শিকার হওয়া ছবিও ছড়িয়ে দিচ্ছেন ডিজিটাল দুনিয়ায়। যেখানে দলটির নেতাকর্মী, ভোটার সকলেই জানাচ্ছেন শুভকামনা। এছাড়া মুঠোফোনে এসএমএস, কল দিয়ে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করতেও দেখা যাচ্ছে।

প্রসঙ্গত, আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর ছাত্রদলের ষষ্ঠ কাউন্সিল হবে। এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত দুই পদের নেতা নির্বাচনের ভোট নেওয়া হবে।

Rural News / T2

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.