31 jailers to disobey the ban on Tajumuddin restraint

shear

Bhola Representative:

ভোলার তজুমদ্দিনে মেঘনা নদীতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অভয়াশ্রমে মাছ ধরার অপরাধে ৩১জেলে, ট্রলার, চাই ও পাঙ্গাস মাছের পোনা আটক করা হয়েছে। আটককৃত জেলেদেরকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আর্থিক জরিমানা করা হয়।

মৎস্য অফিস সুত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৬মার্চ) রাতভর ভোলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোল্লা ইমদাদুল্যাহ’র নেতৃত্বে তজুমদ্দিন মৎস্য অফিস, কোষ্টগার্ড ও পুলিশ মেঘনার বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন। এ সময় রাত সোয়া ৩টার দিকে মনপুরা সংলগ্ন মেঘনার সোনারচর এলাকায় চাই দিয়ে মাছ ধরার সময় ৩১ জেলে, ৫টি ট্রলার, ৪টি চাই ও ১০ কেজি পাঙ্গাস মাছের পোনা আটক করা হয়েছে। আটক মাছ হাফিজিয়া মাদ্রাসার লিল্লাহ বোডিংয়ে বিতরণ করা হয়। ট্রলার ও চাই মৎস্য অফিসের হেফাজতে রয়েছে। আটককৃত জেলেরা হলেন, মোঃ লিটন (৩৫), গিয়াসউদ্দিন (৩১), মোঃ নোমান (৩৫), মোঃ আলমগীর (৩২), মোঃ রাসেল (২৫), মোঃ ফারুক (৩২), মোঃ মনির (৩০), মোঃ আলমগীর (২৮), মোঃ বাবুল (২৫), মোঃ সুমন (২৮), মোঃ রুবেল (২৭), মোঃ রনি (২৫), মোঃ রতন মাঝি (৫০), আঃ করিম (৪২), মোঃ রাজু (২৩), মোঃ নহিম ইসলাম (২৪), মোঃ মহিউদ্দিন (৩২), মোঃ রাসেল (২৩), মোঃ জাফর (৩৫), মোঃ শরিফ (২৮), মোঃ মাইনুদ্দিন (২৮), মোঃ বিল্লাল (২৪), মোঃ হেলাল উদ্দিন (৪৪), বিপ্লব দাস (৪১), মোঃ কামাল (৩২), নিতাই চন্দ্র দাস (২৭), রুপ চন্দ্র দাস (৪২), মোঃ ফয়সাল (২৪), মোঃ মামুন (১৫), মোঃ নিরব (১২) ও মোঃ শরিফ (১০)। আটক প্রত্যেক জেলের বাড়ি মনপুরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।

পরে আটককৃতদের মধ্যে ২৮জেলেকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মরিয়ম বেগম ৩ হাজার টাকা করে আর্থিক জরিমানার রায় প্রদান করেন।

অপর ৩জন অপ্রাপ্ত বয়সের হওয়ায় তাদের মুছলেকা রেখে অভিভাবকের নিকট ছেড়ে দেন

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.