Firefighting and rescue training in the initiative of Khubir ECE Discipline

shear

Khulna University Representative:

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইলেক্ট্রনিক্স এন্ড কমিউনিকেশন্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ইসিই) ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে ড. সত্যেন্দ্রনাথ বসু একাডেমিক ভবনের সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিনের ক্লাসরুমে অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সংক্রান্ত এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। আজ ১১ জানুয়ারি (বুধবার) সকাল ১০টায় প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন।

ইসিই ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. মো. আব্দুল আলিম এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যা স্কুলের ডিন প্রফেসর ড. কামরুল হাসান তালুকদার, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। ফায়ার সার্ভিস এন্ড সিভিল ডিফেন্সের পক্ষ থেকে উপ-পরিচালক মামুন মাহমুদ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইসিই ডিসিপ্লিনের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক প্রফেসর ড. মো. ইসমত কাদির। সঞ্চালনা করেন সহকারী অধ্যাপক ইতু পোদ্দার। প্রশিক্ষণে ইসিই ডিসিপ্লিনের শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ প্রতিটি ব্যাচ থেকে ৫ জন করে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। এসময় সংশ্লিষ্ট স্কুলের বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের প্রধান ও শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশিক্ষণের শেষ পর্যায়ে বেলা ২টায় অগ্নিনির্বাপণ মহড়া প্রদর্শন করা হয়। সেখানে অগ্নিনির্বাপণ করেন ডিসিপ্লিনের শিক্ষক প্রফেসর সেহরীশ খান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, সৃষ্টির শুরুতে এবং সভ্যতার বিকাশে আগুন ছিলো। আবার এই সভ্যতার অনেক পর্যায়ে ধ্বংস ও বিপর্যয়ের কারণও এই আগুন দ্বারা সংঘটিত হয়েছে। সভ্যতা ও প্রযুক্তির বর্তমান যুগে নানাভাবে ও নানা মাধ্যমে শক্তি হিসেবে আমরা বিদ্যুৎ ও গ্যাসসহ বিভিন্ন অনুষঙ্গ ব্যবহার করি। সচেতনতার অভাবে অনেক বড় বড় দুর্ঘটনা দেখতে পাই। জীবন ও সম্পদ ধ্বংস হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো উচ্চশিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার বিষয়টি জরুরি। কারণ, এখানে যে গবেষণা হয়, ল্যাবে যে মূল্যবান যন্ত্রপাতি থাকে, তথ্য-উপাত্ত থাকে তা একবার নষ্ট হলে অমূল্য ক্ষতি হয়। যা বহুবছরেও পুনরুদ্ধার সম্ভব হয় না। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্যোগ ও অর্থবরাদ্দ সত্ত্বেও সবক্ষেত্রে অগ্নি থেকে সুরক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা এখনও গড়ে ওঠেনি। এটা আমাদের এক ধরনের ব্যর্থতা হলেও এর থেকে শিক্ষা নিয়ে গোটা ক্যাম্পাসে অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ভবন ও ল্যাবরেটরির সুরক্ষায় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে একটি কমিটি গঠিত হয়েছে। শীঘ্রই তা পুনর্গঠন করা হবে এবং সেখানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের একজন প্রতিনিধিকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অগ্নিনির্বাপণ ও উদ্ধার সংক্রান্ত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণের আয়োজন করায় তিনি ইসিই ডিসিপ্লিনকে ধন্যবাদ জানান এবং অন্যান্য স্কুল ও ডিসিপ্লিনও এ ব্যাপারে উদ্যোগী হবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরে তিনি প্রশিক্ষণের উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.