অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার ও মিয়ানমার উপকূলে তাণ্ডব চালাচ্ছে। কেন্দ্রে এর বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১৮০ কিলোমিটার। আবহাওয়াবিদ খোন্দকার হাফিজুর রহমান জানিয়েছেন, মোখার কেন্দ্র উপকূলে উঠছে। সন্ধ্যা নাগাদ সম্পূর্ণ ঝড়টি উপকূল অতিক্রম করবে। এক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে একই এলাকায় (১৯.৭° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯২.৪° পূর্ব দ্রাঘিমাংশ) অবস্থান করছে। এটি রোববার (১৪ মে) দুপুর ১২টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ২৮৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে, মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৩৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্বে অবস্থান করছিল। কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রমরত ঘূর্ণিঝড়টি সন্ধ্যা নাগাদ সিটুয়ের (মিয়ানমার) কাছ দিয়ে কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল…
ঘূর্ণিঝড় মোখার তাণ্ডবে সেন্টমার্টিনে গাছচাপা পড়ে নারীসহ দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এই প্রবাল দ্বীপ। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব এখনো চলছে বলে জানান সেখানকার বাসিন্দারা। আজ রোববার (১৪ মে) দুপুরে সেন্টমার্টিনে ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন টেকনাফ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ কামরুজ্জামান। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার তান্ডবে গাছচাপায় এক নারীর মৃত্যুর হয়েছে। এ ঘটনায় মোট দুজন মারা গেছেন। তবে পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বলেন, আমার সেন্টমার্টিন ইউনিয়নে গাছচাপা পড়ে এক নারীসহ দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব এখনো চলছে। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা ছাড়া আমাদের আর কিছু করার নেই।
অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় মোখা কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম করছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর। এর প্রভাবে উপকূলে শুরু হয়েছে বাতাস ও বৃষ্টি। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, মোখা আরও উত্তর বা উত্তর–পূর্ব দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আজ রবিবার (১৪ মে) বিকেলের মধ্যেই এটি কক্সবাজার ও উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শেষ করবে। এক্ষেত্রে দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী তিন ঘণ্টা চলবে ভয়াবহ তাণ্ডব। তবে সেটি মিয়ানমারের দিকেই বেশি হবে। আজ সকাল পৌনে ১০টায় দেওয়া ১৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানায় আবহাওয়া অফিস। আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, মোখা তাণ্ডবে আজ দুপুর ১২টার পর কক্সবাজারের টেকনাফ ও সেন্ট মার্টিন দ্বীপে ঝোড়ো হাওয়া ও ব্যাপক বৃষ্টি হতে…
Shakib Khan accused Bubli of blackmail against him. He said that this opportunity was taken because of his blind faith in him. He claimed that he was an interview with a media in the country. After giving birth to Shehzad, he came to the country from America and got into various scandals, which everyone knows, including Midi, who is a flat and 56 lakh rupees worth of a flat and 56 lakh rupees, how is it possible to become the owner of such wealth? If someone is unfaithful for no reason...
অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ কক্সবাজার-উত্তর মিয়ানমার উপকূল অতিক্রম শুরু করেছে। ঘূর্ণিঝড় মোখার কেন্দ্রের ৭৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১৯৫ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া আকারে ২১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ রয়েছে। এর প্রভাবে কক্সবাজার উপকূল ও চট্টগ্রামে ৮ থেকে ১২ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। আজ রবিবার (১৪ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া ১৮ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পূর্বমধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ উত্তর-উত্তরপূর্ব দিকে অগ্রসর ও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় (১৮.৮ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ…
প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কারণে দেশের উপকূলীয় ১১টি জেলা ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় রয়েছে। রোববার (১৪ মে) সকালে আবহাওয়া অধিদফতরের ১৮ নম্বর বিশেষ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিশেষ বুলেটিনে আবহাওয়াবিদ মো. মনোয়ার হোসেন জানান, উপকূলীয় জেলা চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, বরগুনা এবং তাদের অদূরবর্তী দ্বীপ ও চরসমূহ এই ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেতের আওতায় থাকবে। সমুদ্র বন্দরের সতর্কতা নিয়ে বুলেটিনে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দরকে ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত, চট্টগ্রাম ও পায়রা সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৮ নম্বর মহাবিপদ সংকেত এবং মোংলা সমুদ্রবন্দরকে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উপকূলীয় জেলা কক্সবাজার এবং তাদের অদূরবর্তী…
ঘূর্ণিঝড় মোখার ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক ও সাবধান করছে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স। এছাড়া মোখার আঘাতে ও জলোচ্ছ্বাসে ঘরবাড়ি ভেঙে বা ডুবে গেলে আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনগুলোতেও আশ্রয় নেওয়া যাবে। শনিবার (১৩ মে) রাতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখার মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা কয়েকদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে। যেটা এখনো অব্যাহত আছে। এছাড়া আশ্রয়কেন্দ্রের পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় মোখার আঘাতে বাড়িঘর ডুবে গেলে অথবা যে কোন কারণে যে কোনো মানুষ স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনগুলোতে আশ্রয় নিতে পারবে। মোখা মোকাবিলায় উপকূলীয় এলাকাসমূহের ১৯ টি…