Strangely enough: Laxmipur Saker Tree Price Sota 14 Taka

shear

Own reporter:
যেখানে নার্সারির একটি চারা গাছ কিনতে লাগে ২০ থেকে ২৫ টাকা।  সেখানে লক্ষ্মীপুরের ঝুমুর থেকে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত আঞ্চলিক মহা সড়কের দুই পার্শ্বের সড়কের গাছ বিক্রি হয়েছে সোয়া ১৪ টাকা দরে।  কথাটি আজব শুনালেও তা বাস্তবে রূপ দিয়েছে সড়ক বিভাগের বৃক্ষপালন বিভাগ, কুমিল্লা বিভাগীয় কার্যালয় এর শাখা কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও সহকারি বৃক্ষপালন কর্মকর্তা বৃক্ষপালন বিভাগীয় কার্যালয় মোঃ আব্দুর রহমান।
এ ছাড়া এ সড়কে সড়ক বিভাগ তাদের মালিকানাধীন গাছের পরিমাণ মাত্র ২শ’ ১৬টি দেখালেও আরো প্রায় দুইশ গাছ  নাম্বার না লাগিয়ে ও এসেসমেন্ট না করে ঠিকাদারের সাথে আতাত করে বিক্রি করে দেওয়ার এবং শতবর্ষী গাছ গুলোর প্রকৃত আয়তন বাদ দিয়ে কম আয়তন দেখানো সহ নানা অভিযোগ পাওয়াগেছে।
এতে সরকার ও সড়ক বিভাগ বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় থেকে বঞ্চিত হয়েছে।  আর এতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের কৃুমিল্লার ময়না মতিতে অবস্থিত সাব ডিভিশন অফিসের সেকশান অফিসার জহিরুল ইসলাম সহ সংশ্লীষ্ট উর্ধতন কর্মকর্তাগন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জহিরুল ইসলাম জানান এটা তাদের ডিপাটমেন্টাল ব্যাপার।  এ ব্যাপারে কিছু বলা যাবেনা।
জানাযায়, এই গাছ বিক্রির আগে সার্ভে রিপোর্ট করেন কুমিল্লা সাব ডিভিশন অফিসের সেকশান অফিসার জহিরুল ইসলাম সহ অন্যরা। তিনি একটি মহলের সাথে আতাত করে গাছের আকার ও আয়তন এবং কাঠের পরিমাণ  কম দেখিয়ে পাক্কালন তৈরী করেন।  এর মধ্যে তিনি  অধিকাংশ শতবর্ষী রেইনট্রি গ্রাছের মুল্য দুই হাজার টাকার মধ্যে দেখিয়েছেন।  অপর দিকে কাপিলা গাছের মুল্য সর্ব সাকুল্যে সোয়া ১৪ টাকা থেকে ২০টাকা শিমুল গাছের মুল্য ২০ টাকা থেকে ৫০টাকার মধ্যে দেখিয়েছে।  আম গাছের মুল্য দেখিয়েছেন সর্বোচ্চ ৪শ টাকা।  চন্দ্রগঞ্জ থেকে হাজির পাড়া বাজারের পশ্চিমে মিয়াজান ভূঁইয়া বাড়ির ব্রিজ পর্যন্ত সড়কের দুই পার্শ্বে তিনি ১শ’ ১৪টি গাছ দেখিয়েছেন।  যার মুল্য দেখিয়েছেন মাত্র ১৩ লাখ ৩ হাজার ১শ’ ৯১টাকা ৭২ পয়সা।  অপর দিকে মিয়াজন ব্রিজ থেকে লক্ষ্মীপুরের ঝুমুর পর্যন্ত সড়কের দুই পার্শ্বে গাছ দেখিয়েছেন ১শ’ ০২টি।  এর মধ্যে ১ থেকে ১৪ নং ক্রমিকে সড়কের ডান পার্শ্বে ১৪টি গাছ কে শিমুল ও কাফুলা এবং চারা গাছ দেখিয়ে দাম দেখিয়েছেন সর্বমোট ২০০টাকা।  ৬১ থেকে ৬৪ ক্রমিকে ৪টি গাছকে কাফুলা ও শিমুল দেখিয়ে সর্বমোট মুল্য দেখিয়েছেন মাত্র ৮০ টাকা।  অপর দিকে ৬৬ থেকে ৭০ ক্রমিকেব ৫টি গাছকে কাফুলা ও ছাতিয়ান গাছের সর্বমোট মুল্য দেখিয়েছেন মাত্র ১০০টাকা।  অপর দিকে এই সড়কের দুই পার্শ্বে তাল গাছ, সহ বিভিন্ন জাতের আরো মুল্যবান গাছ থাকলেও তা তিনি তালিকায় দেখায়নি।  বাদ দিয়েছেন বিপুল পরিমাণের গাছ।  এর মধ্যে সড়কটির একটি গ্রুপের (অংশের) গাছ গুলোর নিলাম পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে তিনি তার কাছ থেকে ১লাখ টাকা ঘুষ দাবী করেন।  উক্ত ব্যাক্তি তাকে নগদ ও  বিকাশের মাধ্যমে ৩০ হাজার টাকা পরিশোধও করেন।  কিন্ত পরবর্তীতে অন্য ব্যাক্তি থেকে আরো বেশী টাকা ঘুষ পেয়ে তিনি আগের ব্যক্তিকে নিলাম না দিয়ে অপর এক ব্যক্তিকে উক্ত গাছের নিলাম পাইয়েদেন।  আর এই কাজে তাকে সহযোগীতা করেন  ঢাকার মীরপুরস্থ সড়ক বিভাগের বিক্ষপালন প্রধান কার্যালয়ের অফিস সহকারি জাকির হোসেন।  নাম সর্বস্ব পত্রিকায় দরপত্র প্রচার ও নিয়ন্ত্রণ  সবই করেছেন এই জাকির হোসেন।
জানা যায়, ১৫ কিলোমিটার এই সড়কের গাছ গুলোকে মাত্র ১৬টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে।  এর মধ্যে প্রতি গ্রুপে ২টি করে দরপত্র জমা দেখিয়ে ইকবাল হোসেন নামের সড়ক বিভাগের এক ঠিকাদার ও তার শ্যালককে গাছের সমুদয় গাছ গুলো বিক্রি করেছেন।
তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, শ্যালকের নামে ৮টি গ্রুপের গাছের ক্রেতা দেখানো হলেও মুলতঃ সব গাছ ইকবাল একাই নিয়েছেন।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, সদর উপজেলার যাদৈয়া মাদ্রাসা থেকে পুর্ব দিকে হাজির পাড়া বাজারের পশ্চিমে মিয়াজান ভূঁইয়া বাড়ির পুল পর্যন্ত ৫কিলোমিটার এলাকায় সড়ক বিভাগ কাগগজপত্রে গাছ বিক্রি করেছেন মাত্র ৪৮টি।  এর মধ্যে ১৫টি গাছ কাপিলা ও শিমুল দেখানো হয়।  তদন্ত করে দেখা যায় এই এলাকায় ২২টি গাছ বেশী রয়েছে।  অপর দিকে আরো ৩২টি গাছ হলুদ মার্ক করা আছে যা সড়ক বিভাগের গাছ মর্মে দাবী করছে সড়ক বিভাগ অপর দিকে সামাজিক বনায়নের উপকার ভোগী লোকজন দাবী করেন এ গাছ তাদের বলে।  এ নিয়ে একটি চিঠি বন বিভাগের পক্ষ থেকে ঢাকার মীরপুরস্থ  সড়ক বিভাগের বিক্ষপালন প্রধান কার্যালয়ে।  উক্ত কার্যালয় থেকে নির্বাহী বৃক্ষপালনবিদ ও বিভাগীয় প্রধান কামাল উদ্দিন মোল্লা অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামকে সরোজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন। কিন্তু তিনি দীর্ঘ ঘুরাঘুরি করে তদন্ত করলেও এখনো কোন তদন্ত প্রতিবেদন প্রদান করেননি বলে জানাগেছে।
আর এ সুযোগে বিক্রিত গাছের ক্রেতা অভিযুক্ত গাছ সহ সব গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেছেন সামাজিক বনায়ন বিভাগের উকপকার ভোগীদের সভাপতি আব্দুল অদুদ।
এদিকে জহিরুল ইসলাম যে বিকাশ নাম্বারটির মাধ্যমে টাকা নিয়েছেন সেই বিকাশ নাম্বার ০১৯৩-১০১৯০৮৬ তার নিজের ও বিকাশ একাউন্ট করা মর্মে স্বীকার করেছেন।
তবে তিনি কোন টাকা নেননি মর্মে দাবী করেন।  গাছের মুল্য কম নির্ধারণ ও গাছ বাদ রাখা এবং ক্রেতাকে ক্রয়ের অতিরিক্ত গাছ বুঝিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন এবং গাল মন্দ শুরু করেন।  এ ব্যাপারটি তার ও তার ডিপাটমেন্টের বলে তিনি দাবী করেন।

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.