Abu Taher, Ramganj Representative:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামের এক বড়ভাই কতৃক আমির হোসেন নামের আপন ছোট ভাইয়ের ৩০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সৃষ্ট ঘটনায় আমির হোসেন বাদী হয়ে ১৫ জানুয়ারী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরও বিষয়টির কোন সুরাহা না হওয়ায় বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে ভূক্তভোগী আমির হোসেন মানবেতর জীবনযাপন করছে।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে মোঃ দেলোয়ার হোসেন নামের এক বড়ভাই কতৃক আমির হোসেন নামের আপন ছোট ভাইয়ের ৩০লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। সৃষ্ট ঘটনায় আমির হোসেন বাদী হয়ে ১৫ জানুয়ারী স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়েরের পরও বিষয়টির কোন সুরাহা না হওয়ায় বর্তমানে পরিবার পরিজন নিয়ে ভূক্তভোগী আমির হোসেন মানবেতর জীবনযাপন করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূক্তভোগী রামগঞ্জ পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডের কমরদিয়া গ্রামের মজিবুল হক দোকানদার বাড়ির মজিবুল হকের ছেলে মোঃ আমির হোসেন জীবিকার সন্ধানে ২০০২ইং সনে সৌদি আরব যায়। এরপর আমির টাকা পাঠিয়ে বড় ভাই মোঃ দেলোয়ার হোসেনের মাধ্যমে ৩ ভাইয়ের নামে গাজীপুর পূবাইল থানাধীন মাজুখানে পৌনে ৩কাঠা সম্পত্তি ক্রয় করেন। বর্তমানে ওই সম্পত্তি ২অংশের মালিক আমির পরবর্তীতে সেই জায়গায় ৫তলার ফাউন্ডেশান নিয়ে বাড়ি নির্মানের জন্য দেলোয়ারকে ৩০লাখ টাকা প্রদান করেন। এছাড়াও বিদেশ থাকাবস্থায় দুটি মাইক্রো গাড়ী ক্রয়ের জন্য আমির টাকা দিয়েছেন বড়ভাই দেলোয়ার কে। এরই সাথে রামগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে বিল্ডিংঘর নির্মান করে আমির। ২০২৩ইং সনে আমির অসুস্থ হয়ে একেবারে দেশে ফিরে এসে দেখতে পায় তার গাড়ী বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। যার হিসাব না দিয়ে দেলোয়ার আটকে রাখে মাজুখানের বাড়ির কাগজপত্র। আমিরের অভিযোগ ২০০৮সনে দেলোয়ার নিজের ছবি ও তার স্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে আমির হোসেনের নাম দিয়ে ব্রাক ব্যাংক খিলগাঁও শাখা থেকে উত্তোলন করে নিয়ে যায় সাড়ে ৫লাখ টাকা। যা বেড়ে হয়েছে সাড়ে ১০লাখ টাকা।
অন্যদিকে রামগঞ্জের গ্রামের বাড়ির বসতঘর থেকেও তাকে বঞ্চিত করনের ষড়যন্ত্র বলবৎ রাখার পাশাপাশি বেকার হয়ে পড়ায় গর্ভধারিনী মা রামগঞ্জ থানায় তার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ দায়ের করেন বলে জানান আমির। এতে করে বর্তমানে স্ত্রী এবং কন্যা সন্তানদের নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে তাকে।
এব্যাপারে অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন জানান, আমিরের আনিত অভিযোগ সত্য নয়। মাজুখানের বাড়ির ২অংশের মালিক আমির হোসেন হলেও তার একার টাকায় হয়নি। সে চাইলে তার অংশ বিক্রয় করতে পারে।
