In the case of wrong operation in Ramganj, the authorities have not taken any action even after 6 months.

shear

Abu Taher, Ramganj Representative:

লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে তাহমিনা বেগম (৩৮) নামের এক গৃহবধু খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ নামের অনভিজ্ঞ এক ডাক্তারের ভুল অপারেশনে কিডনি হারিয়েছেন। সৃষ্ট ঘটনায় গত ৮এপ্রিল এবং ২০এপ্রিল বিভিন্ন গনমাধ্যমে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশিত হয়। যার প্রেক্ষিতে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবু হাসান শাহীনের নির্দেশনায় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে কিডনি হারানোর ঘটনার সত্যতা মিলেছে। এমনটা স্বীকার করেছেন ৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান রামগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গাইনী সার্জন ডাঃ মোঃ নাজমুল হক। ওই ভুল অপারেশনের ৬মাস অতিবাহিত হলেও সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষের পক্ষ থেকে অদ্যাবধি নেওয়া হয়নি কোন পদক্ষেপ। ফলে নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা এনেসথেসিয়ার ডাঃ খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ রামগঞ্জ সহ চাটখিলের ভিবিন্ন প্রাইভেট হাসপাতাল গুলোয় চালিয়ে যাচ্ছেন সিজার সহ নানাবিধ জটিল অপারেশন কার্যক্রম।

জানা গেছে, রামগঞ্জ উপজেলার ভোলাকোট ইউনিয়নের পূর্ব দেহলা গ্রামের হায়দার আলী মুন্সী বাড়ির মোঃ ইউসুফ আলীর মেয়ে তাহমিনা বেগম জরায়ু অপারেশনের জন্য গত ৩জানুয়ারী রামগঞ্জের কেয়ার হাসপাতালে আসেন। এর পর ওই হাসপাতাল কতৃপক্ষের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পার্শ্ববর্তী চাটখিল উপজেলার স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা এনেসথেসিয়ার ডাঃ খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ ওই জরায়ু অপারেশন করেন। এতে তাহমিনার কিডনি ব্লক হয়ে যায়। যার ফলশ্রুতিতে ১৭জানুয়ারী পরিবারের লোকজন ডাঃ মোস্তাকের পরামর্শে তাহমিনাকে রামগঞ্জ ফেমাস হাসপাতালে ভর্তি করে। এরপর ওই হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডাঃ সফিকুর রহমান বেশ কয়েকবার অপারেশন করেও শেষ রক্ষা করতে না পেরে তাহমিনার কিডনি ফেলে দিতে বাধ্য হয়। সৃষ্ট ঘটনায় বিভিন্ন গনমাধ্যমে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জের ধরে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ৩দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। যার প্রেক্ষিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আনোয়ার হোসেন গাইনী সার্জন ডাঃ নাজমুল হককে প্রধান করে এবং ডাঃ সাইফুল আমিন ও ডাঃ রিপন চন্দ্র নাথকে সদস্য করে ৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেন। ওই কমিটি ৩দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের কথা থাকলেও সময় পেরিয়েছে ২মাস।

গৃহবধু তাহমিনা বেগম কিডনি হারিয়েছেন এমনটা সত্য। এনেসথেসিয়ার ডাঃ খন্দকার মোস্তাক আহম্মেদ তিনি সার্জন নন। জটিল এমনকি সিজার অপারেশন করনে সরকারী স্বীকৃত সনদ নেই তার। তবে অভিজ্ঞতা রয়েছে। যা জটিল অপারেশনের ক্ষেত্রে প্রযোজন্য নয়। এমনটা জানিয়েছেন তদন্ত কমিটির প্রধান গাইনী সার্জন ডাঃ মোঃ নাজমুল হক।

এব্যাপারে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ আবু হাসান শাহীন বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে জানান, তদন্ত প্রতিবেদনের ফাইল অদ্য ২২জুন পর্যন্ত আমার হাতে এসে পৌঁছেনি।

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.