Alexander Raw Market (Kitchen Market) is accused of propaganda

shear

Pradeep Kumar Rat, Special Representative:

লক্ষ্মীপুরের রামগতি পৌরসভার আলেকজান্ডার বাজারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে অপপ্রচারের অভিযোগ করেছেন কাউন্সিলর ও বাজার ব্যবসায়ীরা। অস্থায়ীভাবে নির্মিত কাঁচাবাজার (কিচেন মার্কেট) নিয়ে এ প্রচারণা চালানো হচ্ছে বলে তাঁদের অভিযোগ। অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য স্থায়ী মার্কেট নির্মাণ করাকালীন সময় পর্যন্ত তাঁদেরকে অস্থায়ীভাবে বিনামূল্যে ব্যবসা করতে নির্দিষ্ট একটি স্থান দেওয়ায় ক্ষুব্দ হয়ে একটি মহল এ প্রচারণায় লিপ্ত বলে অভিযোগ করেছেন তাঁরা।

রোববার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে এসব দাবি করেছেন রামগতি পৌরসভার কাউন্সিলর ও বাজারের ব্যবসায়ীরা। পৌরসভার হলরুমে পৌরসভা কর্তৃপ, আলেকজান্ডার বাজার পরিচালনা কমিটি ও বাজারের ব্যবসায়ীরা যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে।

ব্যবসায়ীরা জানান, পৌরসভা প্রতিষ্ঠার দুই যুগেও মাছ-মাংস ও সবজি বিক্রেতাদের জন্য স্থায়ী পাকা শেড নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। যে কারণে অস্থায়ী দু’টি শেডে কোনোরকম ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন ওইসব ুদ্র ব্যবসায়ীরা। কিন্তু পৌরসভার তত্ত্বাবধানে থাকা ওই দু’টি শেডের একটি গত বছর অগ্নিকান্ডে পুড়ে গেলে ব্যবসায়ীরা অপর শেডসহ সড়কের দু’পাশে অস্থায়ী দোকান বসিয়ে কোনো রকম বেচাকেনা করে আসছেন। এতে করে দুর্ভোগের কমতি ছিল না। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সেখানে একটি ‘কিচেন মার্কেট’ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে পৌর কর্তৃপ। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘কোভিড-১৯ রিকভারি প্রজেক্টের’ আওতায় অর্ধকোটি টাকা বরাদ্দে ‘কিচেন মার্কেটটির’ নির্মাণকাজ এখন এগিয়ে চলছে। কিন্তু একটি মহল উন্নয়নমূলক এ কর্মকান্ডটি নিয়ে অপপ্রচার শুরু করেছেন। ওই চক্রটি নির্মাণকাজ বাধাগ্রস্ত করতে একটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদককে বিভিন্ন ভুয়া তথ্য দিয়ে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশে সহযোগিতা করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে কাউন্সিলর মূর্তজা আল-আমিন বলেন, ‘বাজার পরিচালনা কমিটির দাবির প্রেেিত পৌর কর্তৃপ ‘কিচেন মার্কেট’ নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এজন্য নির্মাণাধীন মার্কেটের স্থানের ও ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করে তাদেরকে পুড়ে যাওয়া আল-আমিন মার্কেটের পরিত্যক্ত স্থানে অস্থায়ী ভিত্তিতে বিনা ভাড়ায় ব্যবসা করার সুযোগ করে দেওয়া হয়। অথচ একটি পত্রিকায় বানোয়াট তথ্য উল্লেখ করে সংবদা প্রচার করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ অপপ্রচার।

প্যানেল মেয়র শাহাদাত হোসেন বলেন, ‘কিচেন মার্কেট নির্মাণকালীন সময়ের জন্য সম্পূর্ণ অস্থায়ী ভিত্তিতে ওইসব ুদ্র ব্যবসায়ীকে ব্যবসা চালিয়ে নেয়ার জন্য আল-আমিন মার্কেটে বসার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। এখানে কোনো দখল বা অর্থনৈতিক লেনদেন হয়নি।’

আলেকজান্ডার বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি সামছুল বাহার খন্দকার বলেন, আমাদের অনুরোধে কাঁচাবাজারের ক্রেতা-বিক্রেতাদের দুর্ভোগ লাঘবে পৌর কর্তৃপ কিচেন মার্কেটটি নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। আর নির্মাণকালীন সময়ের জন্য পৌর কর্তৃপরে সহযোগিতায় তাঁরা সবজি বিক্রেতাদের সাময়িকভাবে ব্যবসা চালিয়ে নেয়ার জন্য সুযোগ করে দিয়েছেন। এখানে কোনো দখল বা অনিয়ম হয়নি।’

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন- পৌর কাউন্সিলর মূর্তজা আল-আমিন, দিদারুল আলম খন্দকার, জয়নাল আবদীন, নিজাম উদ্দিন, নেছার উদ্দিন, তাপস চন্দ্র দাস, গীতা রানী দাস, আকলিমা বেগম, নাছিমা বেগম, মো. নুরনবী, বাজার পরিচালনা কমিটির সহ-সভাপতি আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, কোষাধ্য মেজবাহ উদ্দিন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামাল উদ্দিন, ব্যবসায়ী কনক দাস, হাফেজ মাঈনউদ্দিন, মো. সিরাজ ও আহাম্মদ উল্যাহ প্রমু­খ।

Related News

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.