Ramganj Representative:
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে পীর হাসান শরিফের মাজার ওরফে হরিশ্চর মাজারের কমিটির বিরুদ্ধে টাকা লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ নিয়ে অভিযোগকারী মাজারের সম্পত্তিদাতা গ্রুপ ও কমিটির লোকজনের মধ্যে কয়েকবার শালিশী বৈঠকের পরেও বর্তমানে দ্বন্ধ চরম আকার ধারন করছে। এজন্য যে কোন সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা করছে স্থানীয় জনগন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় এমপি লায়ন এমএ আউয়ালের নিকট দুই পক্ষই মৌখিকভাবে অভিযোগ করার পরও কোন সুরাহা না হওয়ায় বর্তমানে পরিস্থিতি আরো ঘোলাটে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার ৫নং চন্ডিপুর ইউনিয়নের হরিশ্চর গ্রামে পাটোয়ারী বাড়িতে ২০০বছর পূর্বে ৮২ শতাংশ সম্পত্তির উপর পীর হাসান শরিফ নামে একটি মসজিদ, মাজার ও কবরস্থান গড়ে ওঠে। উক্ত মাজারে মানুষের নিয়ত/মানতকৃত টাকা,বিভিন্ন দান অনুদানে মাসিক লক্ষাধিক টাকা আয় হয়। কিন্তু উক্ত টাকা ব্যয় ও সম্পত্তি নিয়ে মাজার কমিটি পক্ষ গ্রুপ ও সম্পত্তি দাতা গ্রুপের মধ্যে দ্বন্ধ চলে আসছে এবং অতীতে কয়েকবার দ্বন্ধের জের ধরে সংঘর্ষ পর্যন্ত ঘটেছে। সম্পত্তিদাতা গ্রুপের আঃ মন্নান, আঃরব,লোকমান হোসেন বাবু, জয়নাল আবেদীন, লোটাস মোরশেদ হোসেনসহ অনেকে জানান, মাজারের বর্তমান কমিটির সভাপতি ডাঃ নাছির হোসেন,সেক্রেটারী মাষ্টার আবুল হাশেম ও কোষাধ্যক্ষ মন্নান নেতৃত্বে কমিটির লোকজন মাজারে দেওয়া বিভিন্ন লোকের নিয়তকৃত টাকাসহ দান বাবত প্রতিমাসে লক্ষাধিক টাকা আয় হয়। কিন্তু বর্তমান কমিটি ওয়াকফ অফিসে ১ লক্ষ আয় দেখিয়ে, ব্যয় বাবত ইমাম মুয়াজ্জিনের প্রতি মাসে ১৫ হাজার টাকা বেতনের স্থলে ৭৪ হাজার টাকা বেতন দেখিয়ে বাকী টাকা আতœসাৎ করে। তারা আরো জানান, তাদের এ অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বললে ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী দিয়ে মানুষকে নাজেহাল করে এবং তাদের পূর্ব পুরুষ আজগর আলী পাটোয়ারীর নামে ওয়াকফ করা মাজার সংগলœ কবরস্থানটি তাদের বলে দাবী করে অসছে।
এব্যাপারে মাজার কমিটির সভাপতি ডাঃ নাছির হোসেন বলে, হরিশ্চর দর্ঘা বাড়ির লোকজন মাজারের ৩৫শতাংশ সম্পত্তি খতিয়ান করে নিয়েছে। মাজারে টাকা মসজিদ উন্নয়ন কাজে ব্যয় করা হচ্ছে। লুটপাটের বিষয়টি ঠিক নয়।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আবু ইউসুফ বলে,বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
Uncategorised
Looting the money of the shrine in Ramganj
