Husband and sister-in-law sentenced to life imprisonment for killing wife in Lakshmipur

shear

বিশেষ প্রতিনিধি, লক্ষ্মীপুর :

লক্ষ্মীপুরে পরকীয়া সর্ম্পকের জের ধরে স্ত্রী ফেরদৌসি বেগম লিপিকে হত্যার দায়ে স্বামী ও শ্যালিকার (স্ত্রীর ছোট বোনের) যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
বুধবার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে লক্ষ্মীপুর জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক ড. একেএম আবুল কাশেম চৌধুরী এ রায় প্রদান করেন।
যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন-রামগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের হাবিব উল্লাহ মুন্সির ছেলে ওসমান গনি (৪৫) ও তার শ্যালিকা (স্ত্রীর ছোট বোন) নোয়াখালী বেগমগঞ্জ উপজেলার গনিপুর গ্রামের ডা. মমিন উল্লাহর মেয়ে তাছলিমা আক্তার রুমা। আদালত তাদের দুইজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেন। এছাড়াও ওসমান গনির এক লাখ টাকা ও তাছলিমা আক্তারের ২৫ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেয়।
লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) জসিম উদ্দিন রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হয়েছে বলে তিনি সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেন।
এজহার ও আদালত সূত্র জানায়, রামগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের ওমান গনির (দুলাভাইর) সঙ্গে দীর্ঘদিন থেকে তার শ্যালিকা তাছলিমা আক্তার রুমার পরকীয়া ও অনৈতিক সর্ম্পক ছিলো। এর জের ধরে ২০০৮ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাত দুইটার দিকে ফেরদৌসী বেগম লিপিকে (৩৫) তার স্বামী ওসমান গনি ও শ্যালিকা (স্ত্রীর ছোট বোন) তাছলিমা আক্তার রুমা পরিকল্পিভাবে হত্যা করে বাড়ির পাশের পুকুরে লাশ ফেলে দেয়। এ ঘটনায় ২০০৮ সালের ২৪ অক্টোবর নিহত ফেরদৌসি বেগমের বাবা ডা. মোহাম্মদ মমিন উল্লাহ বাদী হয়ে ফেরদৌসির স্বামীকে আসামি করে রামগঞ্জ থানায় মামলা করেন। পরে ১৯ অক্টোবর ২০১০ সালে সিআইডি পুলিশ তদন্ত করে ওসমান গণি ও নিহতের বোন তাছলিমাকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে শ্যালিকা ও দুলাভাইয়ের পরকীয়া প্রেমে জড়ানোর বিষয়টি বের হয়ে আসে। পরে আদালত দীর্ঘ শুনানীতে ১২ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামী ও শ্যালিকার  (স্ত্রীর ছোট বোনের) যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায় দেন।

No widgets found. Go to Widget page and add the widget in Offcanvas Sidebar Widget Area.